আমার সম্পর্কে

এক মুহূর্তের আনন্দই আমার কাছে জীবনের অমূল্য সম্পদ। মেঘে মেঘে বেলা আমার অনেক হলো। দেখতে দেখতে জীবনের ৫১ টি বছর চলে গেল। কে কথা রাখলো, কে কথা রাখেনি সেটি বড় নয়। আমি কথা কতটা রেখেছি, সময়কে কতটা গুরুত্ব দিয়েছি সেটাই কালের মহাকাব্যে লেখা না থাক, মানুষের মনে ঠাই পাক। জল জোছনার শহরে জন্মেছিলাম রবীন্দ্রনাথের হৃদয় নিয়ে। হতে পারতাম গ্রামীণ বাউল, কিংবা ক্ষয়ে যাওয়া হৃদয়ের কবি। বিশুদ্ধ প্রেমিক হতে এসেছিলাম, মানুষ হতে এসেছিলাম, কতটা হয়েছি মূল্যায়ন অনাগত প্রজন্মের হাতে থাকলো। ৫০ পর্যন্ত বয়স বাড়ে, তার পর নাকি কমে! অর্ধেক জীবন পার করেছি নজরুলের অন্তহীন হাহাকার, অতৃপ্তি, দহন আর দ্রোহ নিয়ে। আমিও মানুষ। অর্ধেক জীবনে মধুর ভুল আছে। কিছু ভুলের অনুশোচনা আছে। ঝড়ের গতিতে জীবনের গতি নিয়ে ৫১ বছর পার করেছি। উথ্যান-পতন, সুখ-দুঃখ, আন্ন্দ-বেদনার মধুর কাব্যে মোড়ানো এই জীবনে কখনো জন্মদিন উৎসব হয়ে আসেনি। অনুজদের তাড়নায় নিজের আনন্দে মনের মানুষ, প্রেমের মানুষ, ভলোবাসার সজনদের নিয়ে ১২ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত গুলশান ক্লাবে কথা, গান, আড্ডায় দারুণ কেটেছে ফিফটি ওয়ান। তাদের ফুলে ফুলে অভিষিক্ত ধণ্য আমার জীবন। এই ভালোবাসায়, এই স্নেহে, এই প্রেমে আমি মুগ্ধ অবিভুত। এক মনোবিজ্ঞানি বলেছিলেন, আমার হৃদয় স্পর্সকাতর এটি পুড়বে। আমার আপত্তি নেই মন পুড়ে একান্নতে এসেছি, বাকিটা পথ মন পুড়লে পুড়ুক। আমি শুধু চাই একটি বিশুদ্ধ ও পবিত্র বাকিটা জীবন। সচল সক্রিয় চিন্তাশীল লেখক সত্তাদিয়েই সেটি যদি হয় ইবাদতের মতোই আশিক মন নিয়ে দেশ মানুষ ও তার জন্য, তবেই আমার জনম সার্থক। সেই পথ যদি হয় আরো ফিফটি তাহলেতো কথাই নেই। দাসের মৃত্যের চেয়ে যদি হয় সাহসী মানুষের এবং জোছনা রজনীতে আল্লাহর কাছে এই শোকরিয়া ।
৫১ বছর পার হলেও নিজেকে আমার কতটা হলো চেনা? তাকে বা ... বিস্তারিত