সেরা ১০ টি ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেন্ড

মোঃ রাছেল রানা | সোমবার, ০৬ জুন ২০২২ | পড়া হয়েছে 479 বার

কন্টেন্ট মার্কেটিং
আকর্ষণীয় এবং তথ্যবহুল কন্টেন্ট এর দ্বারা খুব সহজেই ভিজিটর দের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব। এজন্য কন্টেন্ট মার্কেটিং কে মার্কেটিং সেক্টরের কিং হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে যা বর্তমানে সেরা ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।

ভিডিও মার্কেটিং
বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটারদের কাছে শর্ট ভিডিও কন্টেন্ট অনেক বেশী অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এর মূল কার ভিডিও কন্টেন্ট ব্যবহার করে সহজেই গ্রাহকদের নিকট পন্য বা সার্ভিস সম্পর্কে সামগ্রীক তথ্য উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।

চ্যাটবট ব্যবহার
চ্যাটবট ব্যবহার করে ক্লায়েন্টদের দ্রুত সাপোর্ট দেয়া সম্ভব ফলে ক্লায়েন্টরা সেরা কাস্টোমার সার্ভিস এক্সপিরিয়েন্স পায়। যা বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অভিনব ট্রেন্ড!

ফেসবুক মার্কেটিং
বর্তমানে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ফেসবুক বিজনেস প্রসারের জন্য অন্যতম একটি মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে নানা স্টার্টআপ সহ অনলাইন ভিত্তিক ব্রান্ড।

ইমেইল মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং ব্যবহার করে খুব সহজে সম্ভাব্য গ্রাহক কিংবা ভিজিটরদের নিকট সরাসরি পৌঁছানো সম্ভব হয়। এটির মাধ্যমে খুব সহজেই ক্লায়েন্টদের সাথে সর্বদা টাচে থাকা যায় এবং বিভিন্ন ধরনের প্রমোশনাল মেইল সহ তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব হয়। যার মাধ্যমে ভালো ধরনের সেলস জেনারেট সম্ভব হয়।

লোকাল এসইও
সারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে গুগোল অন্যতম। এক ক্লিকেই কাঙ্খিত তথ্য এবং সার্ভিস বেছে নিতে প্রতিদিনই বিলিয়ন মানুষ Google এর সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে। তাই বিজনেস এর পরিধি সুবিস্তৃত করতে লোকাল এসইও করা সেরা সিদ্ধান্ত যা বর্তমানে অনেক বেশী কার্যকর হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে ভালো ফলাফল পেতে সাইট ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ সহ প্রাসঙ্গিক কাজে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার এর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। যা অতিদ্রুত মার্কেটিং এর কাজকে অনেক সহজ এর ফলশ্রুত করবে বলে আশা করা যায়।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
ইন্স্যুরেন্সের মার্কেটিং এর মূলমন্ত্র হচ্ছে জনপ্রিয় ব্যক্তিবর্গদের ফেস ভ্যালু ব্যবহার করে ব্র্যান্ড প্রমোট করা। যেহেতু ইনফ্লুয়েন্সারদের সব সময় এক ঝাঁক ফলোয়ার থেকে থাকে তাই খুব সহজেই তাদের ফলোয়ারদের নিকট ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট বিক্রি করা কিংবা প্রমোশন করা সম্ভব হয়, এই সমগ্র মার্কেটিং ফানেলের ভিতরে মূলত লুকিয়ে থাকে ইন্স্যুরেন্সের দের প্রতি আস্থা।

মাইক্রো ব্লগিং
মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্মগুলি ডিজিটাল মার্কেটিং জগতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ধরনের মাইক্রো ব্লগিং প্লাটফর্ম গুলোর মাঝে রয়েছে টুইটার, পিন্টারেস্ট, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে সংক্ষিপ্ত আকারে ছোট ছোট ব্লগ প্রকাশ করে ব্র্যান্ড বা পণ্যের প্রচার করা হয়।

রিমার্কিং মেথড
এই মেথডটি হল একটি শক্তিশালী ডিজিটাল মার্কেটিং মেথড যা ব্যবহার করে হারিয়ে যাওয়া সেলস কিংবা সেলস ডাউনের মতো অপ্রীতিকর অবস্থা থেকে সহজেই বেরিয়ে আসা যায়। যে সকল ভিজিটর কিংবা গ্রাহক আপনার পণ্য কিংবা সার্ভিসের প্রতি পূর্বে আগ্রহ দেখিয়েছিলো তবে বেশ কিছুদিন থেকে তারা আর আপনার ব্যান্ড এর সাথে কানেক্টেড নেই কিংবা কোন ধরনের সার্ভিস ক্রয় করে নি তাদের ইমেইল, মেসেজ মার্কেটিং কিংবা অন্যান্য কোন প্রসেস ব্যবহার করে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে যাতে তারা পুনরায় আবার আপনার ব্র্যান্ড এর সাথে কানেক্টেড হতে পারে।

প্যাসিভ আর্নিং করার সেরা ১৫ টি উপায়
অনলাইনে ডিজাইন বিক্রয়
আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে থাকেন তবে আপনি মাইক্রোস্টোক সাইট গুলোতে একাউন্ট ক্রিয়েট করে প্যাসিভ আর্নিং শুরু করতে পারেন। বর্তমানে এধরনের প্লাটফর্শ গুলো বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এবং প্লাটফর্ম গুলি থেকে সকলের প্রত্যাশাও বাড়ছে।

স্টোক ইমেজ সেল
আপনি যদি ছবি তোলার বিষয়ে প্রফেসনাল হয়ে থাকেন তবে আপনি আপনার ছবি গুলো স্টোক সাইট গুলোতে সেল করতে পারেন।

ব্লগ সাইট তৈরি
আপনি যদি টুকটাক লিখতে পছন্দ করেন তবে আপনি একটু ব্লগ সাইট তৈরি করে সেটিতে আর্টিকেল প্রকাশ করে গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
আপনার যদি ধৈর্য পর্যাপ্ত থেকে থাকে তবে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্ন ব্রান্ড এর প্রোডাক্ট বিক্রয়ে কাজ করতে পারেন। এটিতে তুলনামূলক প্যাসিভ আর্নিং বেশী পাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

ই-বুক রাইটিং
ই-বুক বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করছে বিশ্বব্যাপি! সুতরাং আপনি এই সেক্টরে দক্ষ হয়ে ভালো প্যাসিভ ইনকাম জেনারেট করতে পারেন।

ইউটিউব চ্যানেল তৈরি
আপনি যদি ব্লগিং ভালবেসে থাকেন তাহলে আপনি ইউটিউব থেকে প্যাসিভ ইনকাম করার কথা ভাবতে পারেন। এর জন্য আপনার বেশী কিছুর প্রয়োজন হবেনা শুধুমাত্র যে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপরে ভিডিও তৈরি করার সক্ষমতা আপনাকে থাকতে হবে এবং চেষ্টা করতে হবে এমন ভিডিওগুলো তৈরি করার যে ভিডিওগুলো মানুষকে আনন্দ দেয় কিংবা তাদের প্রয়োজনে আসে।

একটি অ্যাপ তৈরি
সম্ভব হলে আপনি একটি মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে নিতে পারেন। এতে করে আপনি দীর্ঘদিন পর্যন্ত লাভবান হতে পারেন যদি আপনার অ্যাপটি জনপ্রিয়তা লাভ করে।

বই লিখা এবং প্রকাশ
বই লিখা প্যাসিভ ইনকামের একটি দারুন উপায়। আপনি যে কোনো বিষয়ে বই লিখতে পারেন যে বিষয় গুলো বর্তমানে অধিক জনপ্রিয়, তবে এক্ষেত্রে আপনাকে ভালো লেখক হতে হবে তা না হলে প্রকাশকারীরা আপনার বই প্রকাশের ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করবেনা। সুতরাং এ বিষয়টি মাথায় রাখবেন।

বন্ধুদের আইডিয়া শুনুন এবং বিনিয়োগ করুন
যদি আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে কারো মাঝে ভালো কোনো বিজনেস আইডিয়া থেকে থাকে তবে আপনি তার সাথে পার্টনারশীপ এ কাজ করতে পারেন বা বিনিয়োগ করতে পারেন। এতে আপনি পরবর্তীতে লাভবান হতে পারেন।

ড্রপশিপিং
ড্রপশিপিং বলতে মূলত পন্য নির্দিষ্ট স্থান থেকে স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে নিজের সাইটে বেশী মূল্যে বিক্রয় করার পদ্ধতিতে বোঝায়। এটি থেকেও আপনি প্যাসিভ আর্নিং করতে পারেন।

অনলাইন সার্ভে
অনলাইন সার্ভে মূলত বিভিন্ন কোম্পানি তাদের গ্রাহকদের থেকে ফিডব্যাক গ্রহন করতে করে থাকে। এক্ষেত্রে কোম্পানি গুলো সার্ভে পরিচালনায় বেশ কিছু মানুষকে অনলাইনে নিয়োগ করে, সুতরাই এটিও আপনার জন্য হতে পারে আয়ের একটি সুবিধাজনক মাধ্যম।

ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আয়
আপনার সোস্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এ যদি অনেক ফলোয়ার থেকে থাকে তবে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির জন্য ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও কাজ করতে পারেন।

অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন?

(Amazon Affiliate Marketing) অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? এই প্রশ্ন যদি আপনার মনে এসে থাকে তার মানে হচ্ছে, আপনি অনলাইনে এফিলিয়েট কিংবা ব্লগিং করে টাকা আয় করার চেষ্টা করছেন। তবে সঠিক গাইডলাইনের অভাবে আপনি সফল হতে পারছেন না। চিন্তার কোন কারণ নেই, আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন, আর কি কি আলোচনা করা হচ্ছে বুঝতে থাকুন।
আশা করছি এই আর্টিকেল পড়ার শেষে আপনি একটি সঠিক গাইডলাইন পাবেন, যেটা আপনার কাঙ্ক্ষিত সফলতায় পৌছানোর পথে সহায়ক হিসাবে কাজ করবে। দেরি না করে চলুন জেনে নিই অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং (Amazon Affiliate Marketing) সম্পর্কে।

অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

আমরা সবাই অ্যামাজন ডট কম কে চিনি। এটি একটি ইকমার্স প্লাটফর্ম যেখান থেকে মানুষ অনলাইনে বেচা কেনা করে। আর এটি ইন্টারন্যাশনাল হওয়ায়, মোটামুটি সব দেশ থেকেই পণ্য অর্ডার করা যায়। তবে কিছু কিছু দেশ থেকে এখনো পণ্য কেনা যায় না।
যাই হোক, এইগুলা আমাদের আলোচনার বিষয় না। আমরা শিখবো কিভাবে অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবো। তবে তার আগে আমাজনে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে টাকা আয় করা যায় সেটা জেনে নিই।
সাধারণভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন পণ্য কমিশনের বিনিময়ে প্রমোশনের মাধ্যমে বিক্রি করে কমিশন আয় করা। মানে ধরুন আমাজনে হাজার হাজার প্রোডাক্ট আছে, আর আপনার কাছে ওই পণ্যের ক্রেতাদের একটি অংশ আছে, যারা আপনার ওয়েবসাইট কিংবা সোশ্যাল প্রোফাইল, ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিত ভিজিট করে।
এখন আপনি অ্যামাজন এফিলিয়েট নেটওয়ার্কে জয়েন করলেন আর সেখানে আপনার ওই ওয়েবসাইট কিংবা সোশ্যাল প্রোফাইল, ইউটিউব চ্যানেলকে ইন্টিগ্রেট করে দিলেন।
এখন আপনি অ্যামাজন থেকে প্রোডাক্ট নিয়ে সেই প্রোডাক্ট নিয়ে আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনা করলেন। আর সেখানে ঐ প্রোডাক্টির জন্যে আপনার এফিলিয়েট লিংকটি শেয়ার করলেন। এবার আপনার ঐ লিংক ভিজিট করে যারাই কোন পণ্য কিনবে তাদের সেই পণ্যের বিক্রিত মূল্যের একটি অংশ আপনি কমিশন হিসাবে পাবেন।
আসলে যেকোন এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক এই একই সিস্টেমে কাজ করে। এভাবে তারা এফিলিয়েট মার্কেটারদের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্যের মার্কেটিং করে, আর তাদের পণ্য বিক্রি করে। যাই হোক এতক্ষনে আপনি বুঝে গেছেন যে, এফিলিয়েট মার্কেটিং কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে।
আপনাকে আমাজনের এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক দিয়ে বুঝানোর একটা আলাদা কারণ আছে। যেহেতু আমরা এই এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক নিয়েই আলোচনা করবো, তাই এটির কাজের ধরণ সম্পর্কে বুঝতে পারলেই আমাদের পরের আলোচনাগুলো আপনার বুঝতে আরো সহজ লাগবে।
আসুন এবার আমরা আমাদের মূল আলোচনায় প্রবেশ করি। জেনে নিই অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো।

অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন?

অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং তেমন আহামরি কোন কিছু না। সিস্টেমটা বুঝে যদি সঠিকভাবে কাজ করা যায় তাহলে সফলভাবে এখান থেকে ভাল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যাবে। নিচের লিস্টে কয়েকটা জিনিসের নাম উল্লেখ করছি যেগুলো এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে কাজে লাগবে।

ভিজিটর ড্রাইভিং প্ল্যাটফর্ম
প্রথমে আপনার একটি সোর্স লাগবে যেখানে আপনি আপনার এফিলিয়েট লিংকগুলো বিভিন্ন উপায়ে শেয়ার করবেন। তবে শুধু শেয়ার করলেই তো হবে না, সেখানে ভিজিটর আসতে হবে। ভিজিটর যদি না আসে আর আপনার লিংক ব্যবহার করে বিক্রি না হয় তাহলে আপনার কোন আয় হবে না।
এক্ষেত্রে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আপনার ভিজিটররা আপনার শেয়ার করা প্রোডাক্ট কেনার জন্যে খুঁজছে কিনা। যদি না খুঁজে তাহলেও আপনার সফল হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এজন্যে আপনাকে সটিকভাবে টার্গেট করতে হবে, আর সেই টার্গেটেড ভিজিটররা কি ধরণের প্রোডাক্ট পছন্দ করে, সেই অনুযায়ী আপনাকে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করতে হবে।
এছাড়া আরেকটি কার্যকরী পদ্ধতি আছে। আসুন সেটি জেনে নিই।
শুরুতে আপনাকে একটি টপিক সিলেক্ট করতে হবে যেটি আপনি পছন্দ করেন কিংবা যেই টপিকে আপনি লিখতে ভালবাসেন। তবে টপিক আপনি যেকোনটা নিয়েই কাজ করতে পারেন। কন্টেন্ট রাইটার দিয়ে লিখিয়ে নিতে পারবেন যদি আপনি নিজে না লিখতে চান তাহলে।
এরপর ঐটপিকে আপনি একটি ওয়েবসাইট করবেন। আর কিওয়ার্ড রিসার্সের মাধ্যমে কম্পিটিশন কম এমন কিছু কিওয়ার্ড নিয়ে কন্টেন্ট লিখে আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে দিবেন। তারপর কন্টেন্টগুলোকে অপটিমাইজ করবেন বিভিন্ন কিওয়ার্ড দিয়ে যেন আপনার কন্টেন্ট সার্স ইঞ্জিনে প্রথমদিকে র‍্যাংক করে।

র‍্যাংক না করাতে পারলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসবে না, এটা শিওর। এজন্যে আপনাকে সব সময়ই সহজে র‍্যাংক করা যায় এমন কিওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন। আর এভাবেই আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে সহজেই ভিজিটরকে আপনার ওয়েবসাইটে আনা যায়।

কোয়ালিটি কন্টেন্ট
কোয়ালিটি কন্টেন্ট ছাড়া আপনি কখনোই অনলাইনে কিছু করতে পারবেন না। হোক সেটা টেক্সট বেইসড কন্টেন্ট কিংবা গ্রাফিক বেইসড কন্টেন্ট। আপনাকে অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির মানসম্মত কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে যেন রিডাররা পড়ার পরে ভালভাবে বুঝতে পারে, আর সেখান থেকে আপনার এফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করে তাদের পছন্দের পণ্য কিনে।
আর আমরা আগেই বলেছি যে, আপনার লিংক দিয়ে যদি পণ্য বিক্রি না হয়, তাহলে আপনার কোন ইনকাম হবে না। এজন্যে কন্টেন্টের কোয়ালিটির দিকে অবশ্যই আপনাকে ভালভাবে নজর দিতে হবে।
আপনি নিজে যদি কন্টেন্ট লিখতে পারেন তাহলে সব থেকে ভাল। কারণ আপনি নিজের কন্টেন্ট অনেক যত্ন করে লিখবেন। ভালভাবে প্রুফরিড করে তারপরে পাবলিশ করবেন। তবে এত চিন্তা করার কিছু নেই কন্টেন্ট নিয়ে। Ghoori Learning এর SEO Friendly Content Writing Masterclass কোর্সটি করে আপনিও হয়ে যেতে পারেন একজন কনটেন্ট রাইটিং এক্সপার্ট।
আপনি যদি চান একটু ভাল পরিমাণে ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে নামতে পারলে, খুব সহজেই কমমূল্যে কোয়ালিটি কন্টেন্ট পেতে পারেন। তবে বাইরে থেকে রাইটার হায়ার করার ক্ষেত্রে কয়েকটি জিনিস নজরে রাখতে। রাইটারকে আপনি সটিকভাবে ইন্সট্রাকশন দিচ্ছেন কিনা, রাইটার সঠিকভাবে রিসার্স করে কন্টেন্ট লিখছে কিনা, গ্রামাটিক্যাল ভুল করছে কিনা, আর সর্বোপরি রাইটারের আচার-ব্যবহার কেমন।
সাধারণভাবে ভাল মানের রাইটারদের ব্যবহার খুবই ভাল হয়। তারা সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ জমা দেয়। এছাড়াও সাইটের ভালর জন্যে কন্টেন্ট সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখে। আর হায়ার করার সময়, আগের কিছু কন্টেন্ট চেক করে নিবেন।

এফিলিয়েট একাউন্ট ইন্টিগ্রেশন
আপনি যত বেশি ভাল কোয়ালিটি কন্টেন্ট দিতে থাকবেন, আপনার কন্টেন্ট তত বেশি র‍্যাংক হবে সার্চ ইঞ্জিনে। এছাড়া অন্যান্য প্লাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করতে চাচ্ছেন, সব জায়গাতেই একই পদ্ধতিতে কন্টেন্ট দিতে থাকতে হবে।
মানুষ যতবেশী আপনার কন্টেন্ট পড়বে এবং তাদের সমস্যার সমাধান পাবে কিংবা ভাল অর্থবহ ফলাফল পাবে ততবেশি আপনার সাইটে কিংবা অন্যান্য প্লাটফর্মে আসবে। এভাবে আপনি যখন দেখবেন আপনার সাইটে ভিজিটর আসা শুরু করেছে, তখন আপনাকে অ্যামাজন এফিলিয়েট ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য দিয়ে এফিলিয়েট একাউন্টটি একটিভ করে নিতে হবে।
সাথে সাথে আপনার ওই প্লাটফর্ম কিংবা সোশ্যাল প্রোফাইল জমা দিতে হবে। মানে আপনি যেখানে যেখানে আপনার এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করতে চাচ্ছেন সেই জায়গাগুলোতে আপনার প্রোফাইল লিংক দিতে হবে। এরপর আমাজনের নির্দিষ্ট কিছু শর্ত আছে তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামের জন্যে।
সেই সব শর্তগুলো যদি আপনি পূরন করতে পারেন, তাহলে খুব শীঘ্রই আপনি আপনার এফিলিয়েট একাউন্ট এপ্রুভালের নোটিশ পেয়ে যাবেন। আর এই নোটিশ পেয়ে গেলেই আপনার এফিলিয়েট আর্নিং শুরু হয়ে যাবে।

উপসংহার
উপরে আলোচনা সঠিকভাবে যদি আপনি পড়ে আর বুঝে থাকেন তাহলে আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন কিভাবে আপনার কাজ করা উচিৎ। আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের প্র্যাকটিক্যাল নলেজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে, যেন আপনারা যেকোন এই গাইডলাইন ব্যবহার করে তাদের এমাজন এফিলিয়েট থেকে ভাল পরিমানে আয় করতে পারবেন।
আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি মোটামুটি সবকিছু সহজ কথায় তুলে ধরতে। যেন কারো মনে অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুর করবো, এই প্রশ্ন আর না আসে।

মন্তব্য...

comments